চাঁপাইয়ের ঐতিহাসিক চামচিকা মসজিদের বট গাছের মধ্যে খেজুর গাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৬:৩১ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বুধবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় সীমান্তের ছোট সোনামসজিদ সংলগ্ন খঞ্জনা বা খনিয়া দিঘি (এটি স্থানীয়ভাবে চামচিকা মসজিদ এবং রাজবিবি মসজিদ নামেও পরিচিত) এবং দিঘির পাশেই মসজিদ অবস্থিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত এলাকাটি।

খঞ্জনা বা খনিয়া দিঘীর পাড়ে জঙ্গলের ভেতর আশ্চর্য এক দৃশ্য দেখা গেছে। সৃষ্টিকর্তা ইচ্ছে করলে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেন মূহুর্তেই। তেমনি এ দিঘির পাড়ে একটি বটগাছের মধ্যবর্তী স্থান থেকে একটি খেঁজুরের গাছ জন্ম নিয়েছে।

শুক্রবার ঐ এলাকায় দিঘির পাড়ে দেখা যায় বট গাছের মধ্য থেকে একটি খেঁজুর গাছ বের হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মানুষ গাছ দুটিকে এক নজর দেখছেন এবং ছবি তুলে রাখছেন।

১৪৫০ থেকে ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ অবধি গৌড় ছিল তৎকালীন বাংলার রাজধানী। এ সময়ই এ মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল। এই মসজিদের পাশে বিশাল এক দিঘি রয়েছে যার নাম খনিয়া দিঘী নামে পরিচিত। কাছাকাছি আরেকটি মসজিদের নাম দারাসবাড়ি মসজিদ। মসজিদটি দীর্ঘকাল আগে পরিত্যক্ত হয়েছে। পরিচর্যার অভাবে এ মসজিদটি বিলীয়মান।

এই মসজিদটি রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে।

এই মসজিদের আয়তন ৬২ × ৪২ ফুট। মূল গম্বুজটির নিচের ইমারত বর্গাকারে তৈরী, যার প্রত্যিটি ২৮ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট। বড় কামরার সামনের দিকে (পূর্ব) একটি বারান্দা ছিল, যার অবশিষ্টাংশ বর্তমানে দেখা যায়। মসজিদটি ইটের তৈরী, বাইরের দিকে সুন্দর কারুকাজ করা। বর্তমানে খঞ্জনদীঘির মসজিদটির একটি মাত্র গম্বুজ ও দেয়ালের কিছু অংশ টিকে আছে। কিন্তু এগুলোর অবস্থাও খুব জীর্ণ আকার ধারণ করেছে।