জঙ্গি অর্থায়নে সম্পৃক্ত তারেক, ৫ দেশে ১২ অ্যাকাউন্ট জব্দ!

ডেস্ক নিউজ

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ১০:০৪ এএম, ৯ মার্চ ২০২০ সোমবার | আপডেট: ১০:১৯ এএম, ৯ মার্চ ২০২০ সোমবার

জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সাথে তারেক রহমানের সম্পৃক্ততা রয়েছে এরকম একাধিক প্রমাণ ইন্টারপোলের হাতে এসেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্র বলছে, জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে ৫ দেশে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার ১২ অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে।

এর আগে, সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে লন্ডনেও তারেক জিয়ার একটি অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)- এর তদন্তের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে যে, তারেক জিয়ার সাথে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের গোপনে যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনে তিনি অর্থায়ন করেছেন।

এই অভিযোগেই দীর্ঘ তদন্তের পর এফবিআই ৫টি দেশে তারেক জিয়ার ১২টি অ্যাকাউন্ট জব্দ করার সুপারিশ করেছে। যে ৫টি দেশ থেকে তারেক জিয়ার অ্যাকাউন্ট জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো- লন্ডনের ২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, দুবাইয়ের দুটি অ্যাকাউন্ট, সৌদি আরবের ২ টি অ্যাকাউন্ট, সিঙ্গাপুরের ৪টি অ্যাকাউন্ট এবং মালয়েশিয়ার ২ টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, জঙ্গিদের সঙ্গে তারেক জিয়ার যোগাযোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ও ভারতে জঙ্গিদেরকে অর্থ দিয়ে দেশের ভেতর নাশকতা সৃষ্টি করা এবং অস্থিরতা তৈরি করার জন্য তারেক জিয়া জঙ্গিদের ব্যবহার করেন। আবার বিএনপি যেন জঙ্গিদের পক্ষে থাকে, তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকে, বিশেষ করে, বিএনপি যেন জামাত থেকে বেরিয়ে না যায় সেজন্য তারেক জিয়াকেও বিপুল অংকের টাকা দিয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠী। এফবিআই-এর তদন্তে পাওয়া গেছে, তারেক জিয়া যেমন জঙ্গিদের অর্থায়ন করছেন, তেমনি তারেক জিয়াকেও বিভিন্ন দেশের জঙ্গিরা অর্থ প্রদান করেছেন।

এফবিআই-এর তদন্তে তারেক জিয়াকে জঙ্গিদের এজেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে জঙ্গিরা বিভিন্ন দেশে টাকা-পয়সা লেনদেন করে।

জানা গেছে যে, এটা অনেকটা হুন্ডি ব্যবসার মতো। সারা বিশ্বে তারেক জিয়ার যে জঙ্গি নেটওয়ার্ক আছে, সেই নেটওয়ার্কের লোকজনের কাছে টাকা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তারেক একটি ভালো মাধ্যম। একই সঙ্গে এফবিআই বলছে যে, লন্ডনে তারেক জিয়া কীভাবে চলছেন, তার জীবন-যাপন ইত্যাদিও রহস্যময়। কারণ গত ১২ বছরে তারেক জিয়ার কোনো বৈধ আয় নাই।

অথচ লন্ডনে তিনি দুটি বাড়ির মালিক, তার চারটি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। লন্ডনে তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। এফবিআই ব্রিটিশ সরকারকে এ ব্যাপারে তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এর আগেও লন্ডনে তারেকের একটি ব্যাংক সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে তারেকের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছিল। সেই স্থগিতাদেশ এখনও বহাল রয়েছে। আর এখন এফবিআইয়ের অনুরোধে ৫টি দেশে তারেক জিয়ার যাবতীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হলো।

তবে ধারণা করা হচ্ছে যে, এর বাইরেও তারেক জিয়ার অনেকগুলো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বেনামে যে অ্যাকাউন্টগুলো রয়েছে, সেগুলোর ব্যাপারে কারও কাছেই কোনো সঠিক তথ্য নেই। তাছাড়া তারেকের অনেক ঘনিষ্ঠ লোক রয়েছে, যারা জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে জড়িত। তাদেরকে যদি চিহ্নিত করা না যায়, তাহলে এই অর্থায়ন প্রক্রিয়া বন্ধ হবে না।