নাটোরে পুরুষাঙ্গ কর্তনকৃত স্বামী আসলে আপন ভাতিজা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৪:৫৯ পিএম, ৩০ আগস্ট ২০১৯ শুক্রবার

নাটোরের সিংড়া উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের বেগুনবাড়ি গ্রামের মোখলেসের মেয়ে কুলসুম (৩২) কর্তৃক স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনুসন্ধানী রিপোর্টে বেরিয়ে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।

জানা যায়, কুলসুমের স্বামী মিটুল (২৮) মূলত তার ভাতিজা। ভাতিজা হয়েও চার বছরের বড় চাচীর সঙ্গে মিটুলের গড়ে ওঠে প্রেম। বাড়ির কেউ না জানলেও প্রেম গভীর হতে থাকে। সংসারে বনিবনা না হওয়ার এক পর্যায়ে মিটুলের চাচার সাথে কুলসুমের বৈবাহিক সম্পর্ক তালাকে পরিণত হয়। ঘরে ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তান রেখে কুলসুম ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টেস এ চাকরী নেয়। সেখানে কুলসুম বেগম তার সদ্য তালাকপ্রাপ্ত স্বামীর আপন ভাতিজা মিটুলের সাথে তাদের চলমান প্রেমের সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়ে উঠে।

সম্পর্কের পরিণতি পায় বিয়েতে। বিয়ের পর মিটুল ও কুলসুম ঢাকাতেই ঘর-সংসার করছিলেন। সম্প্রতি তারা ঈদের ছুটিতে সিংড়ার বাড়িতে আসেন। বাড়িতে এলে মিটুলের বাড়ির আত্মীয় স্বজন মিটুলের নতুন সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় কলহের সৃষ্টি হয়। শালিস-বৈঠকের পর মিটুলের সাথে সংসার করতে থাকেন কুলসুম।

কিছুুদিনের মধ্যে কুলসুমের অভিযোগ, সিংড়ায় এসে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন মিটুল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হয়। এরই এক পর্যায়ে বুধবার রাতে স্বামী ঘুমিয়ে পড়লে ধারালো ব্লেড দিয়ে মিটুলের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন কুলসুম। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে মিটুল।

এদিকে কুলসুমকে আটক করার পর ১৬৪ ধারায় কুলসুমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।