ফারুক চৌধুরীকে আবারও সভাপতি দেখতে চান তৃণমূল নেতৃবৃন্দ

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৬:৩৮ পিএম, ২ ডিসেম্বর ২০১৯ সোমবার

রাজশাহীর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজশাহী-১ আসনে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীকে আবারও সভাপতি পদে দেখতে চান জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতৃবৃন্দ।

দলের তৃণমূল নেতৃবৃন্দের একান্ত প্রত্যাশা, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারও ওমর ফারুক চৌধুরীকে দলের রাজশাহী জেলা সভাপতি’র স্থান দিয়ে ত্যাগীদের ক্ষমতায়নে আবারও উদাহরণ সৃষ্টি করবেন।

এ দাবির ব্যাপারে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান চঞ্চল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীকে পুনরায় দলের জেলা সভাপতি’র দায়িত্ব দিলে তিনি সেখানে সফলতার স্বাক্ষর রাখবেন। এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে আবারও মন্ত্রিত্ব ও আসন্ন সম্মেলনে দলের জেলা সভাপতি দিলে আমরা সাধুবাদ জানাব।’

তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, ‘সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী তো আমাদের তানোরের নয়নমণি, ত্যাগী, সুশিক্ষিত, মেধাবী, এক কথায় অনন্যা। যোগ্যতম এই মানবকে আমরা আবারও দেখতে চাই জনবান্ধব সরকারের একজন মন্ত্রী ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে।’

গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি আবারও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকবেন এটা আমাদের গোদাগাড়ীবাসীর প্রত্যাশা।’

গোদাগাড়ীবাসীর এই দাবিকে সাধুবাদ জানিয়ে জেলার বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ওমর ফারুক চৌধুরী এবারও দলের রাজশাহী জেলা সভাপতিত্ব পাবেন। উনি আগেও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

উল্লেখ, ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে ওমর ফারুক চৌধুরী সভাপতি ও আসাদুজ্জামান আসাদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই সভাপতি-সম্পাদকের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ নিয়ে বিভক্তি দেখা দেয়।

এ অবস্থা নিরসনে চলতি বছরের গত ৮ নভেম্বর ঢাকায় দলের প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আগামী ৮ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন ঠিক করে দেয়। সম্মেলনের জন্য রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়।