মানসিক ট্রমায় নির্যাতিত অ্যাথলেট

নিউজ রাজশাহী ডেস্ক

নিউজ রাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ১২:৫০ পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

ধর্ষণের শিকার নারী ভারোত্তোলক মানসিক ট্রমায় দিন কাটাচ্ছেন হাসপাতালে। মাস পেরুচ্ছে, শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও মানসিক অবস্থার উন্নতি আসেনি এখনও। চিকিৎসকরা বলছেন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নির্যাতনের শিকার হওয়া নারীর পরিবার। দোষীদের চিহ্নিত করতে গঠন করা হয়েছে আরও একটি তদন্ত কমিটি।

এদিকে অভিযুক্ত একজন বলছেন, তিনি কিছুই জানেন না।

নারী ভারোত্তোলককে যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত সোহাগকে সহায়তা করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মচারি মালেক ও আরেক নারী ভারোত্তোলক উন্নতি। উন্নতির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন। বাধ্যতামূলক ছুটিতে থাকা অভিযুক্ত সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া খেলোয়াড়ের চিকিৎসক জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট এর অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম জানান, তার শারীরিক উন্নতি হচ্ছে। তবে, মানসিক ট্রমা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগবে কিংবা জীবনভর এ যন্ত্রণা বয়ে বেড়ানো লাগতে পারে।

এমন ঘটনার পর ফুঁসে উঠেছেন নারী অ্যাথলেটরা। একইসঙ্গে নিজেদের পেশাগত অঙ্গনে বোধ করছেন নিরাপত্তাহীনতা। দেশসেরা ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তারও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

দোষীদের চিহ্নিত করতে কাজ শুরু করেছে তদন্ত কমিটি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদও গঠন করেছে আলাদা তদন্ত কমিটি।