রাজশাহী জেলা আ’লীগের শেষ চমক এনামুল-মেরাজ-লাভলু-রায়হানে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৭:৩৫ পিএম, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ শনিবার | আপডেট: ০৭:৩৭ পিএম, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ শনিবার

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের আগামী নেতৃত্বে এবার থাকছে চমক। তবে সেই চমকে কি থাকছে? হ্যাঁ, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান হতে চলেছে। জানা যাবে রোববার সবকিছু। তবে, চাঁদ রাত বলে একটি কথা আছে।

কেন্দ্রীয় নেতাদের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পুরনো দুই নেতাকেই (সভাপতি-সা. সম্পাদক) এবার বাদ দেয়া হবে। এবার সভাপতি হিসেবে দেখা যেতে পারে সাবেক সাংসদ মেরাজ উদ্দীন মোল্লা অথবা বাগমারা আসনের সাংসদ এনামুল হককে। কেন্দ্রীয় নেতাদের শর্টলিস্টে এই দুই নেতাই চাঁদ রাত পর্যন্ত বহাল রয়েছেন।

সূত্রটি বলছে, এই দুই নেতার মধ্যেই একজন পাবেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদটি। মেরাজ মোল্লা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন আগেও। সেই অভিজ্ঞতাতে তিনি অনেকটা এগিয়ে। অন্যদিকে প্রথমবারের মত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পেলে এনামুলের জন্য যেমন চমক হবে, তেমনি চমকে যাবেন সবাই।

সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য এবার সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দীন লাভলু। যদিও জেলার আরেক সাবেক ছাত্রনেতা সাবেক সাংসদ রায়হানুল হক এবার সভাপতি প্রার্থী হবার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন, কিন্তু কেন্দ্র তাকেও এবার ভাবছে সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই। সেক্ষেত্রে রায়হানুল হকও এবার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন।

তবে সাধারণ সম্পাদক হতে সব ধরণের চেষ্টা চালাচ্ছেন সাংসদ আয়েন উদ্দীন। তিনি একেবারেই থেমে নেই। তার জন্য সংগঠনের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাদের চেষ্টা সফল হলে আয়েনকেও দেখা যেতে পারে নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে।

উল্লেখিতরা ছাড়াও সভাপতি হতে এবার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন সাবেক সাংসদ কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। তবে তার অবস্থান অনেকের চেয়ে রয়েছে পেছনের সারিতে। নিজেকে সভাপতি হিসেবে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেও শেষ পর্যন্ত স্ব-পদে বহাল থাকার সব চেষ্টাই চালাচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। তবে তাকেও এবার হতাশ হতে হবে বলে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি মতে, এবারের সম্মেলনে একাধিক প্রার্থী থাকলেও শেষ পর্যন্ত নেতৃত্ব বাছাই হবে মেরাজ মোল্লা, এনামুল হক, রায়হানুল হক ও লায়েব উদ্দীন লাভলুর মধ্যে থেকে। দায়িত্ব যে দুজনই পান না কেনো, এবার সাবেক সব ছাত্রনেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখার জন্য কেন্দ্র থেকেও রয়েছে নির্দেশনা।