রাজশাহী মহানগর আ`লীগের সম্মেলন ফেব্রুয়ারিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৬:৩৮ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ শনিবার | আপডেট: ০৬:৪৮ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ শনিবার

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। ফলে শেষ বারেরমত সম্মেলন হয়েছে ৫ বছর আগে। দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে নগরীর থানা ও ওয়ার্ড সম্মেলন করা যায়নি। বহল রয়েছে আগের কমিটিই। এরই মধ্যে আগামী ফেব্রুয়ারিতে হতে যাচ্ছে নগর সম্মেলন। এ নিয়ে কেন্দ্রে ডেকে পাঠিয়েছে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতাকে।

নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য নাইমুল হুদা রানা জানান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কেন্দ্রে ডেকে পাঠিয়েছেন। রোববার (১৯ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিতিতে রাজশাহীর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে নগর সম্মেলনের জন্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে। ফেব্রুয়ারিতে সম্মেলন করতে হবে কেন্দ্র থেকে এমন আবাস দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রমতে, রাজশাহীর বসচেয়ে গুরুত্বপূর্ন এ ইউনিটের সভাপতি পদে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিকল্প নেই। ফলে এবারো তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হতে পারেন। এ পদে আর কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক কি না এমন কারও নাম এখনো শোনা যায়নি।

তবে সাধারণ সম্পাদক পদের দিকে চোখ আছে নগরের প্রায় হাফ ডজন খানেক নেতার। ইতোমধ্যেই অনেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে লবিং শুরু করেছেন কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ছাড়াও এবার এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন নগর কমিটির সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য নাঈমুল হুদা রানা, মোস্তাক আহমেদ, সদস্য ও প্যানেল মেয়র-১ সরিফুল ইসলাম বাবু, রাবির ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু, রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবু এবং নগর যুবলীগের সভাপতি রমজান আলী।

নাইমুল হুদা রানা বলেন, নগর ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছি। বর্তমানে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা চান ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব। তাদের চাওয়া অনুযায়ী এবার সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। আশা করছি যোগ্যতা বিবেচনায় এবার নেতাকর্মীরা আমাকে বেঝে নিবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর সম্মেলন হয় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের। দলের সভাপতি শেখ হাসিনা নগরের পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর। তবে অনুমোদিত পুর্নাঙ্গ কমিটি মহানগর নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠানো হয় ৭ ডিসেম্বর।

এর আগে সম্মেলন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ডাবলু সরকার।