রাবিতে দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষকদের আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৬:২৭ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) একাদশ সমাবর্তনকে সামনে রেখে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিক আন্দোলন স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ‘রাবি দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজ’। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ সিনেট ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ ঘোষণা দেন ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম।

মানববন্ধনে তিনি বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বর রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের একাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত আমাদের এই দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন স্থগিত করা হলো। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়াতে আমাদের জনসংযোগ চলবে। যতদিন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নেয়া হবে না, ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। সমাবর্তনের পর আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এসএম এক্রাম উল্যাহ, মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মজিবুল হক আজাদ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজা খান, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বিশ^জিৎ চন্দ্র, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. মো. জিন্নাত আরা বেগম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে প্রথমে ঘাস তুলে ফেলা হলো, তারপর আবার সেখানে নতুন করে ঘাস লাগানো হলো। পরবর্তীতে তা আবার উঠিয়ে ফুটপাত বানানো হচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডের মতো উন্নয়ন চাই না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যিকারের উন্নয়ন চাই। যে উন্নয়নের নামে কেবল টাকা খরচ হবে কাজের কাজ কিছু হবে না- সে উন্নয়ন আমরা চাই না। অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলে খুব লাভজনক হয় সে কারণে অবকাঠামোর প্লানই চান। গবেষণায় কোনো উন্নয়ন নেই, কারিকুলামের কোসো উন্নয়ন নেই। কারণ সেখানে লাভজনক কিছু হয় না।

তিনি আরও বলেন, আপনি দুর্নীতি করবেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুর্নীতি করবে সেটা শিক্ষক হিসেবে আমরা বরদাস করবো না। আপনি আমাদের প্রত্যেকের নামে তদন্ত কমিটি গঠন করছেন, আমাদের ফাইল আটকে রাখছেন। আপনি দাম্ভিকতা করে বলেন, চার জনমেও এরকম আব্দুস সোবহান পাবেন না। আমি এরকম দুর্নীতিবাজ হতে চাই না। আমি এরকম স্বজনপোষক হতে চাই না। আমি লজ্জ্বা পাই আপনার কথা ভেবে। আমি যখন ভাবি আমার একজন সম্মানিত সহকর্মী নিজের কন্যাকে চাকরি দেয়ার জন্য, নিজের জামাতাকে চাকরি দেয়ার জন্য আইন বদলে ফেলেন। যেখানে প্রথম হওয়া ছাড়া কেউ চাকরি পায় না, সেখানে আপনি আপনার কন্যা যে ২৫তম ও আপনার জামাতা ৬৭তম তাকে চাকরি দেন। আমার লজ্জ্বা করে আপনার জন্য।

প্রসঙ্গত, রাবি উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান এক সেমিনারে বক্তব্য শেষে জয় হিন্দ শব্দযুগল উচ্চারণ এবং উপ-উপাচার্য চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে চাকরি প্রত্যাশীর ফোনালাপ গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর গত ৩ অক্টোবর থেকে বর্তমান প্রশাসনের উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্য অপসারণ দাবি করে বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আন্দোলন করে আসছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) একাদশ সমাবর্তনকে সামনে রেখে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিক আন্দোলন স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ‘রাবি দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজ’। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ সিনেট ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ ঘোষণা দেন ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম।

মানববন্ধনে তিনি বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বর রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের একাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত আমাদের এই দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন স্থগিত করা হলো। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়াতে আমাদের জনসংযোগ চলবে। যতদিন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নেয়া হবে না, ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। সমাবর্তনের পর আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এসএম এক্রাম উল্যাহ, মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মজিবুল হক আজাদ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজা খান, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বিশ^জিৎ চন্দ্র, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. মো. জিন্নাত আরা বেগম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে প্রথমে ঘাস তুলে ফেলা হলো, তারপর আবার সেখানে নতুন করে ঘাস লাগানো হলো। পরবর্তীতে তা আবার উঠিয়ে ফুটপাত বানানো হচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডের মতো উন্নয়ন চাই না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যিকারের উন্নয়ন চাই। যে উন্নয়নের নামে কেবল টাকা খরচ হবে কাজের কাজ কিছু হবে না- সে উন্নয়ন আমরা চাই না। অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলে খুব লাভজনক হয় সে কারণে অবকাঠামোর প্লানই চান। গবেষণায় কোনো উন্নয়ন নেই, কারিকুলামের কোসো উন্নয়ন নেই। কারণ সেখানে লাভজনক কিছু হয় না।

তিনি আরও বলেন, আপনি দুর্নীতি করবেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুর্নীতি করবে সেটা শিক্ষক হিসেবে আমরা বরদাস করবো না। আপনি আমাদের প্রত্যেকের নামে তদন্ত কমিটি গঠন করছেন, আমাদের ফাইল আটকে রাখছেন। আপনি দাম্ভিকতা করে বলেন, চার জনমেও এরকম আব্দুস সোবহান পাবেন না। আমি এরকম দুর্নীতিবাজ হতে চাই না। আমি এরকম স্বজনপোষক হতে চাই না। আমি লজ্জ্বা পাই আপনার কথা ভেবে। আমি যখন ভাবি আমার একজন সম্মানিত সহকর্মী নিজের কন্যাকে চাকরি দেয়ার জন্য, নিজের জামাতাকে চাকরি দেয়ার জন্য আইন বদলে ফেলেন। যেখানে প্রথম হওয়া ছাড়া কেউ চাকরি পায় না, সেখানে আপনি আপনার কন্যা যে ২৫তম ও আপনার জামাতা ৬৭তম তাকে চাকরি দেন। আমার লজ্জ্বা করে আপনার জন্য।

প্রসঙ্গত, রাবি উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান এক সেমিনারে বক্তব্য শেষে জয় হিন্দ শব্দযুগল উচ্চারণ এবং উপ-উপাচার্য চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে চাকরি প্রত্যাশীর ফোনালাপ গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর গত ৩ অক্টোবর থেকে বর্তমান প্রশাসনের উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্য অপসারণ দাবি করে বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আন্দোলন করে আসছে।