রাবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষককে হুমকি ও লাঞ্ছনার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৮:২৪ পিএম, ২৮ নভেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সংস্থাপন শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপাচার্য বরাবর বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বপাড়ার একটি কোয়ার্টারে বসবাসরত ১২জন শিক্ষক স্বাক্ষরিত এ অভিযোগ প্রদান করেন।

লিখিত অভিযোগে তারা বলেন, গত ২৩ নভেম্বর সকালে পূর্ব/৩৩/এইচ ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আলমগীর হোসেন বিশ^বিদ্যালয়ের পূর্ব/৩৩/ই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ও ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর সঙ্গে অসদাচরণ, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দিতে মারতে উদ্যত হন। এসময় পূর্ব/৩৩/জি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ও ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রোনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আরিফুর রহমান বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তার সাথেও দুর্ব্যবহার করেন।

শিক্ষক লাঞ্ছিতের প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, মো. আলমগীর হোসেন বেশ কিছুদিন যাবত ওই এলাকায় বসবাসরত আবাসিক শিক্ষকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ, নাম ধরে সম্বোধন ও বিভিন্নভাবে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে আসছেন। এছাড়া তিনি ও তার স্ত্রী কর্তব্যরত প্রহরীদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার ও বদলি করে দেওয়ার হুমকিও দিয়ে থাকেন। এতে ভীতি ও সম্মানহানির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে উপাচার্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা একটি জায়গা পরিষ্কার করে আমি একটি বাগান করি। গত ২৩ নভেম্বর বাগানের পাশে পূর্ব/৩৩/জি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ও ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রোনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আরিফুর রহমান আরেকটি বাগান করতে গিয়ে ইচ্ছা করে আমার পুরো সবজি বাগান ল-ভ- করে দেন। এসময় আমি উনার সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি আমার সাথে দুর্ব্যবহার করেন ও মিটিং ডেকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন। সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের কাজে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি নিয়ে এখন কোনো কথা বলছি না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরকে বিষয়টি জানিয়েছি।

জানতে চাইলে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন,  আমি শিক্ষকদের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সামনে সমাবর্তন হওয়ায় এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারছিনা। তবে সমাবর্তন শেষে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।