সাপাহারে সদস্য পদে চাচা ভাতিজার লড়াই জমে উঠেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৮:২০ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৯ বুধবার

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ৪নং আইহাই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড সদস্য আনিছুর রহমানের মৃত্যুর পর ওই ওয়ার্ডটি সদস্য শূন্য হয়ে পড়ে। নিয়ম তান্তিকভাবে ভাবে উক্ত ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষনা হলে বেজে ওঠে নির্বাচনী ডামাডোল।

উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা মতে আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ওই ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচন। এরই মধ্যে ওয়ার্ডের কোন ব্যাক্তি সদস্য পদে না দাঁড়ালেও মরহুম আনিছুর রহমানের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম ও তারই আপন চাচা আবুল হোসেন একে অপরের বিপক্ষে ভোট করার সিদ্ধান্ত নেয়।

শুরু হয় চাচা-ভাতিজার মধ্যে তুমুল ভোট যুদ্ধ। বর্তমানে নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসতে থাকলে  ওই ওয়ার্ডে  সদস্য পদে আপন চাচা-ভাতিজার মধ্যে ভোটের লড়াই বেশ জোরে সোরেই জমে উঠেছে। ওয়ার্ডের সকল ভোটারগন এখন ব্যাস্ত চাচা-ভাতিজার ভোটের খোশ গল্প নিয়ে।

সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, চাচা আবুল হোসেন (মোরগ) এবং ভাতিজা জাহাঙ্গীর আলম (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে ৯নং ওয়ার্ডে একই এলাকা থেকে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে কে হবে ওই ওয়ার্ডের  সদস্য ?

এ নিয়ে চলছে এলাকার সাধারন ভোটারদের মাঝে নানা জল্পনা-কল্পনা। দিন রাত স্থানীয় চায়ের দোকান গুলোতে চাচা-ভাতিজাকে নিয়ে বেশ আলোচনা সমালোচনায় ভোটারগণ থাকছে মুখরীত। কেউ বলছে চাচা প্রবীণ ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে ওই এলাকায় রাজনীতি ও সমাজ সেবা করে আসছেন তাই তিনিই ওই এলাকার সদস্য নির্বাচিত হলে জনগণের উন্নয়ন অনেকটা বেশী হবে। এই দিক বিবেচনা করে চাচা আবুল হোসেন এর মোরগ মার্কা প্রতীক বেশী ভোট পাবে।

আবার অনেকের মতে বিগত দুই বার ভাতিজা জাহাঙ্গীর আলম এর বাবা মরহুম আনিছুর রহমান ওই ওয়ার্ডে সফল ইউপি সদস্য ছিলেন যেহেতু তার মৃত্যুর কারনেই এই ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাই তার যোগ্য সন্তান হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম তার ফুটবল মার্কা প্রতীকে বিপুল পরিমানে ভোট পাবে।

উল্লেখ্য যে ওই ওয়ার্ডে প্রায় দেড় হাজার ভোটার রয়েছে। এলাকার সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক নির্বাচনী আমেজ লক্ষ করা গেছে। মোড়ের দোকান ও চায়ের ষ্টল গুলিতে দিন রাত ভোটারগণ চাচা ও ভাতিজার বিগত দিনের কাজ কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছে। ভোট লড়ায়ে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে শুরু হয়েছে অস্তিত্বের লড়াই যে করেই হোক ভোটে তাদেরকে জয় যুক্ত হতেই হবে। এ জন্য ভোটারদের মন জয় করতে চাচা ও ভাতিজা বিভিন্ন কৌশলে নিজ নিজ পক্ষে তারা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

আগামী ২৫ জুলাই ওই ওয়ার্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই জনগনের রায়ে কে পরবে বিজয়ের মালা চাচা নাকী ভাতিজা এটা দেখতেই উপজেলাবাসীর নজর এখন ওই নির্বাচনী এলাকার দিকে।