পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভা বর্জন করলেন ইউপি চেয়ারম্যানরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, পুঠিয়া

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৬:২২ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সাথে মতবিরোধের জেরে দু’টি সভা বয়কট করেছেন সকল ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগণ।

জনপ্রতিনিধিদের দাবি- ওই কর্মকর্তা বদলি না হওয়া পর্যন্ত তারা উপজেলা পরিষদের কোনো সভায় অংশ গ্রহণ করবেন না।

উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ প্রদান প্রসঙ্গে ৬টি ইউপি চেয়ারম্যান ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সাথে গত কয়েক মাস থেকে মতবিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি সুরাহা করতে পরিষদের গত মাসের সমন্বয় সভায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদকে উপস্থিত হতে একাধিকবার ডাকা হয়। কিন্তু তিনি ওই ডাকে সাড়া না দেয়ায় জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও তার প্রতি নাখোশ হোন।

আজ (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাসিক সমন্বয় সভা ও ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক দু’টি সভার আয়োজন করা হয়। সভা দু’টিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনসুর রহমানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত না হওয়ায় দু’টি সভা স্থগিত করা হয়েছে।

বানেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী সুলতান বলেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জনপ্রতিনিধিদের কোনো প্রকার তোয়াক্কা করেন না। আমাদের কাজের সহযোগিতা তো দুরের কথা-তার উল্টা-পাল্টা কথা বার্তায় সকলে অতিষ্ঠ।

এ বিষয়টি গত মাসিক সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে ওই কর্মকর্তা বদলি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কেউ পরিষদের কোনো সভায় অংশগ্রহণ করবো না।

তবে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সাথে আমার কোনো মতবিরোধ নেই। আর আমার উপর নাখোশ হয়ে মাসিক সভা বয়কট করার বিষয়টি জানা নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু বলেন, জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচারণ করেছেন। এ কারণে তারা কেউ আজ পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দু’টি সভায় উপস্থিত হোননি। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, এই মহুর্তে আমি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আছি। এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।

স/এমএস