পুঠিয়া পৌর নির্বাচনকে ঘিরে আ`লীগে বাড়ছে ‌‌‌কোন্দল!

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ১১:৪৩ পিএম, ২ ডিসেম্বর ২০২০ বুধবার | আপডেট: ১২:২৭ এএম, ৩ ডিসেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার

আগামী ২৮শে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগে বাড়ছে ‌`অন্তকোন্দল`। এর বাইরেও রয়েছে বিদ্রোহ। বর্তমান মেয়র রবিউল ইসলাম রবি পুনরায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেও মেয়র পদে একই দলের আরও দুজন প্রার্থী রয়েছে।

স্থানীয় আ.লীগের রাজনীতিতে সাবেক ও বর্তমান এমপি’র অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন পুঠিয়ার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

রবিউল ইসলাম রবি ছাড়াও এবার আ’লীগ থেকে আরো দুজন মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এরা হলেন এলাকারই প্রভাবশালী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম আজম নয়ন ও শরিফুল ইসলাম টিপু।

এদের মধ্যে একজন বিদ্রোহী ও আরেকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জানা গেছে। তবে নির্বাচনের ফল না হওয়া পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবেন তারা। আওয়ামী লীগ প্রার্থী রবিকে ছাড় দিতে নারাজ তারা। এতে করে বেশ বেকায়দার রয়েছেন তিনি। তবে বিএনপি প্রার্থী এইদিক থেকে এগিয়েই রয়েছেন।

বর্তমান মেয়র রবি বলেন, সাবেক সাংসদ ও রাজশাহী জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা’র অনুসারী হওয়ায় আমাকে নির্বাচনে বেকায়দায় ফেলতে ওঠে পড়ে লেগেছেন স্থানীয় আ’লীগের কিছু নেতাকর্মীরা।

এদিকে, বিগত নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মেয়র আসাদুল হক আসাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেনি বিএনপি। তাই এবার দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খানকে। মনোনয়ন ঘিরে ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে দলীয় কোন্দল, বিভাজন রয়েছে বিতর্কও।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার আসাদকে মনোনয়ন না দেয়ার পেছনে রয়েছে দলীয় কোন্দল। আসাদ বিএনপির সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফার অনুসারী। আর ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আ’লীগ হয়ে বিএনপিতে আসা আল মামুন খান জেলা বিএনপি’র বর্তমান আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তিনিই প্রভাব খাটিয়ে মামুনকে মনোনয়ন পাইয়ে দিয়েছেন বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন। আর এই কারণেই নির্বাচন ঘিরে পুঠিয়ার বিএনপিতে দেখা দিয়েছে বিভাজন।

স/এমএস