বৈদেশিক খাত থেকে নেওয়া হবে ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকার ঋণ

ডেস্ক নিউজ

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ০৪:২৫ পিএম, ৩ জুন ২০২১ বৃহস্পতিবার

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (৩ জুন) ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট (প্রস্তাবিত) উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট এটি। রাজস্ব আদায়ের চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে আগামী বছরের বাজেট পেশ করছেন। এটি অর্থমন্ত্রীর জন্য তৃতীয় বাজেট।

ঘাটতি পূরণে নতুন বাজেটে বৈদেশিক খাত থেকে ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এই বাজেটে মোট ব্যয়ের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

 

অর্থমন্ত্রীর পেশ করা এই বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ (অনুদানসহ) ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা এবং অনুদান ছাড়া ঘাটতি হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ জিডিপির ৬ দশমিক ১ শতাংশ। আগামী বাজেটে ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। আর সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ হাজার কোটি টাকা।

দেখা যাচ্ছে, ঘাটতির অর্থ জোগাতে নতুন বাজেটে সরকার ব্যাংকিং খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সঞ্চয়পত্র ও বিদেশি ঋণ বাড়াতে যাচ্ছে। আগামী অর্থবছরের জন্য বৈদেশিক খাত থেকে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা থাকলেও চলতি বাজেটে বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা হিসেবে ৯২ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা পাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

তথ্য বলছে, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ায় বাজেটে বিদেশি ঋণ বাড়ছে। সহজে বিদেশি ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়াটাও এর আরেকটি কারণ। অবশ্য এই মুহূর্তে প্রায় ৫০ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক অনুদান পাইপলাইনে রয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও অন্যান্য উন্নয়ন অংশীদাররা মহামারির মধ্যে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশকে বাজেট সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।