রাজশাহীতে অবৈধ সিগারেটের রমরমা বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ১২:০৫ পিএম, ২৮ মে ২০২০ বৃহস্পতিবার

রাজশাহী শহর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বেড়েই চলছে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া দেশি-বিদেশি সিগারেটের রমরমা বাণিজ্য। বিভিন্ন ফ্লেভার ও কম দামে এই সিগারেট হাতের নাগালে পাওয়ায় এর ক্রেতা বেড়েই চলছে রাজশাহীতে।

মূলত নারী, উঠতি ও শৌখিন ধূমপায়ীদের মধ্যে এই বিদেশি সিগারেটের কদর বেশি। অন্যদিকে নিম্নায়ের ধূমপায়ীরা ঝুঁকছে অবৈধ সিগারেটের দিকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাজশাহীর পবা, বাগমারা ও বাঘা উপজেলাসহ রাজশাহী শহরের বিভিন্ন দোকানে বিক্রয় হচ্ছে অবৈধ সিগারেট। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- সেনর গোল্ড, কে-২, সিটি গোল্ড, ডার্কিস, সিটি ব্লাক, জাভা ব্লাক, সেনার গোল্ড, ব্লাক, ইজি, মুড, জিজি টোব্যাকোর গুদাং গারাম। শুল্ক ফাঁকি দেয়া এই সিগারেটের কারণে নিম্নয়ের ধূমপায়ীরা আগের তুলনায় আরও বেশি সিগারেটের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছেন।

এছাড়াও বেশি লাভের আশায় দোকানদাররা অবৈধ সিগারেটের বিক্রি বাড়িয়ে চলছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে দুই থেকে আড়াই টাকায় বিক্রি হচ্ছে দেশিয়ভাবে উৎপাদিত এই অবৈধ সিগারেট। এইসব অবৈধ কর্মকান্ডে বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

বাঘমারার এক সিগারেট দোকানদার বলেন, দেশিয় উৎপাদিত সিগারেট বিক্রয়ে তাদের প্যাকেট প্রতি অন্যান্য সিগারেটের তুলনায় বেশি লাভ হচ্ছে। এছাড়াও এই সিগারেটের ক্রেতার পরিমাণও অনেক। যে কারণে তারা অবৈধ সিগারেট বিক্রয়ের দিকে ঝুকেছে।

আরেক দোকানদার বলেন, আগের তুলনায় সিগারেটের দাম তিন চারগুণ বেড়ে গেছে। তাই বাজারে অবৈধ সিগারেটের সরবরাহ বেড়ে গেছে। কম দাম বলে অনেকে এই সিগারেট খাচ্ছে। অবৈধভাবে উৎপাদিত অবৈধ সিগারেট ও চোরাচালানের ফলে সরকার প্রতিবছর তামাক খাত থেকে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। অপরদিকে এইসব সিগারেটের ফলে ২০৪০ সালের মধ্যে ধূমপায়ী কমানোর লক্ষ্যও ব্যাহত হচ্ছে।

স/মা