‘শাড়ির প্রতি আলাদা টান, সেখান থেকেই উদ্যোক্তা’

সাবিহা বিথী

নিউজরাজশাহী.কম

প্রকাশিত : ১২:৩১ এএম, ৩০ জুলাই ২০২০ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১২:৩১ এএম, ৩০ জুলাই ২০২০ বৃহস্পতিবার

রাজশাহীর মেয়ে আমি। স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠলেও অনেক স্বপ্নই পূরন করতে পারিনি। খুব ইচ্ছে ছিল নিজের জন্য কিছু করব, পরিচয় তৈরি করার জন্য। কিন্তু সাহস করে এগোতে পারছিলাম না।

লকডাউনে ইন্টার্নশিপ ছেড়ে বাসায় আসতে হয়। অবসর সময় এমনি কেটে যাচ্ছিল, কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। এমতাবস্থায় ‘উই’ নামে গ্রুপ খুঁজে পাই।

রাজীব স্যার, নিশা আপুর পরামর্শে অনুপ্রাণিত হই। নিজের স্বপ্নগুলো আবার সাজাতে শুরু করি, আশেপাশে অনেকের অনেক কথা শুনতে হতো তবুও সাহস করে নেমে পরি।

রাজশাহীর সিল্কের প্রতি অনেক আগে থেকেই একটা অনুভুতি কাজ করত। আমার স্কুলের পাশেই সিল্ক ছিল। কতবার যে গিয়েছি তার হিসেব নেই। তাই শাড়ি নিয়ে কাজ করার শুরুটা করেছি মসলিন সিল্ক দিয়ে।

পুরো বাংলাদেশ এবং দেশের বাইরেও মসলিম সিল্কের কদর অনেক। সবার কাছে অরজিনাল মসলিন সিল্ক পৌঁছে দেয়াই আমার লক্ষ্য। বেশ ভালো সাড়াও পেয়েছি ইতোমধ্যে দেশ এবং বাইরের দেশ থেকে।

মসলিন সিল্ক দিয়ে তৈরি শাড়ির কদর এখন অনেক বেশি। হ্যান্ডপেইন্ট করতে মসলিন সিল্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও কাজ করছি তাঁতের শাড়ি নিয়ে। তাঁতে বোনা শাড়ির প্রতি ঝোক আগে থেকেই ছিল। নিজেও পড়ি তাই এটা নিয়ে কাজ করে বেশি আনন্দ পাই। ছোট ছোট পায়ে আমার উদ্যোক্তা জীবন চলে যাচ্ছে।

পারিবারিক সাপোর্ট ভাগ্যে মেলেনি, চাপ ছিল অনেক। তবুও প্রতিবান্ধকতা একাই পার করে চলছি প্রতিনিয়ত। ইচ্ছে আছে আমার স্বপ্ন ‘রঙিন বাগিচা’-কে নিয়ে অনেক দুর এগিয়ে যেতে।

উদ্যোগের নাম ‘রঙিন বাগিচা

লেখক: শিক্ষার্থী, পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।